কর্মসূচি

কালচার বা সংস্কৃতি মানবজীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। মানবসমাজের সামগ্রিক আচার অনুষ্ঠানই সংস্কৃতি। আরো সহজ করে বললে- মানুষের অভ্যাস ও আনুষ্ঠানিকতার যাবতীয় উপাদান সংস্কৃতির অনুসঙ্গ। শিল্পকলা ও বিনোদন সংস্কৃতির অন্যতম প্রধান উপাদান। শিল্পকলা ও বিনোদনের একটা অংশ হলো সংগীত। নির্দিষ্ট একটা জনগোষ্ঠীর স্বীকৃত শুদ্ধাচারগুলোই ওই জনগোষ্ঠীর সংস্কৃতি। সামগ্রিকভাবে সংস্কৃতির পপ্রাতিষ্ঠানিক রূপে মানুষের প্রাত্যহিক আচার অনুষ্ঠান, সামজিক ও ধর্মীয় রীতি-নীতি ব্যাপক ভুমিক রাখে। বাংলাদেশের সংস্কৃতিতে বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ বা বাঙালি জনগোষ্ঠীর প্রবাহমান আচার অনুষ্ঠান, আন্তঃধর্মীয় রীতি-নীতি, বিশেষ করে সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম জনগোষ্ঠীর বিভিন্ন আচার ও রীতি-নীতি বাঙালি সংস্কৃতির অন্যতম প্রধান অনুসঙ্গ।

দেশীয় সংস্কৃতিতে সংগীতের ক্ষেত্রে সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম জনগোষ্ঠীর ধর্মাচার প্রভাবিত অংশকে আমরা ইসলামী সংগীত হিসেবে চিহ্নিত করে থাকি। সংগীত একটা জাতির সামগ্রিক সংস্কৃতির অন্যতম প্রধান একটি উপাদান তথা মুখপাত্র। দেশীয় সংস্কৃতির আবহে ইসলামী সংগীত এর প্রচার ও প্রসারই আমাদের কার্যক্রমের মূল ভিত্তি। আরেকটু ব্যাপকার্থে মৌলিকভাবে দেশীয় সংস্কৃতির আবহে দেশের কথা, প্রান্তিক মানুষের কথা, ইসলামী আচার অনুষ্ঠানের কথা ও চিত্রকল্প; সংগীতের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা আমাদের কর্মসূচির প্রধান অনুসঙ্গ। সর্বোপরি সংগীতের মাধ্যমে শুদ্ধ সংস্কৃতির প্রসারই আমাদের মূল লক্ষ্য। প্রাতিষ্ঠানিকভাবে আমাদের অ্যাকাডেমিক ও নিয়মতান্ত্রিক কিছু সুনির্দিষ্ট কর্মসূচি থাকবে অগ্রাধিকারভাবে।

১. সংগীতের মানোন্নয়ন ও প্রসারে গায়ক, গীতিকার ও সুরকারদের মাঝে সেতুবন্ধন তৈরি করা।
২. গীতিকার ও সুরকারদের জন্য আস্থাশীল একটি প্লাটফর্ম তৈরি করা।
৩. প্রত্যেকের আত্মিক ও প্রায়োগিক সম্মান প্রতিষ্ঠা করা।
৪. ইসলমী সংগীতের মানোন্নয়নে চিন্তা ও মেধাভিত্তিক কর্মসূচি প্রণয়ন করা।
৫. গায়ক ও গায়কী প্রতিষ্ঠানের জন্য মানসম্মত লিরিক সরবরাহ করা।
৬. গায়ক, গীতিকার ও সুরকারের মাঝে যোগাযোগ তৈরি করা।

এছাড়ও লিরিক হাউজের প্রডাকশনে প্রকাশিত সংগীত নিয়ে আমাদের কিছু ধারাবাহিক ও নিয়মতান্ত্রিক কর্মসূচি রয়েছে।

১. প্রকাশিত গানের লিরিক ভিডিও তৈরি করা
২. তৈরিকৃত ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ ও প্রচার করা
৩. গীতিকার, সুরকার ও শিল্পীর সামগ্রিক কাজের প্রতিবেদন তৈরি করা
৪. সংস্কৃতি কর্মীর জীবনভিত্তিক প্রোফাইল তৈরি করা

সর্বোপরি, তৈরিকৃত লিরিক ভিডিও, প্রতিবেদন, প্রোফাইল- আমাদের ওয়েবসাইট, ফেসবুক, ইউটিউব, টুইটার, ইনস্টাগ্রামসহ অন্যান্য সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ এবং গুরুত্বের সাথে প্রচার করা হবে